বিশ্ববিদ্যালয় হল জ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার কেন্দ্র। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিক্ষক ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থ বাদ দিয়ে দেশাত্মবোধের উদ্দীপ্ত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতা আন্দোলনে। আগে বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধুমাত্র পাঠদানের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হত কিন্তু বর্তমান সময়ে দেখা গেছে বিশ্বের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদানের পাশাপাশি নতুন জ্ঞানের উদ্ভবের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে এবং মেধার বিকাশের প্রচেষ্টা করে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে ৪২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধিভুক্ত। তাই আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো বাংলাদেশের সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের তালিকা।

শুরুতেই জেনে নেয়া যাক বিশ্ববিদ্যালয় কি?

বিশ্ববিদ্যালয় হল এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন গবেষণা মূলক কাজকর্ম করা হয়। পৃথিবীতে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ভারতের বিহারে গড়ে ওঠা প্রাচীন সময়ের উচ্চ শিক্ষা কেন্দ্র। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথিবীর বহু দেশ হতে বিদ্যার্থীদের সমাগম হতো বিদ্যা অর্জনের জন্য।

নিচে বাংলাদেশের সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের তালিকা বর্ণনা করা হলো

সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১লা জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনকালে স্বাধীন জাতিসত্তার বিকাশের লক্ষ্যে বিশ শতকের দ্বিতীয় শতকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন শাসকদের অন্যায় সিদ্ধান্তে পূর্ববঙ্গের মানুষের প্রতিবাদের ফসল হলো এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। দেশের সর্বপ্রাচীন এ বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়েছে বর্তমানে ১৩ টি অনুষদ, ৮৩ টি বিভাগ,১২ টি ইন্সটিটিউট এবং ৫৬ টি গবেষণা কেন্দ্র নিয়ে। ছাত্র-ছাত্রীদের থাকার জন্য রয়েছে ২০টি আবাসিক হল ও ৩টি হোস্টেল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের আরেকটি বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাচ্যের ক্যামব্রিজ বলা হয়। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডক্টর মোহাম্মদ শামসুজ্জোহার প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যুক্ত হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সবুজে ঘেরা মাঠ, সুউচ্চ ভব্‌ন, খেলার মাঠ, লাইব্রেরী ইত্যাদি নিয়ে সজ্জিত হয়েছে। এখানে রয়েছে পাঁচটি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট, নয়টি অনুষ্‌দ, ছাপান্ন টি বিভাগ। ছাত্রদের জন্য রয়েছে ১১টি এবং ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৬টি আবাসিক হল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৯টি অনুষদ,৫৪ টি বিভাগ এবং ৬টি গবেষণা কেন্দ্র নিয়ে গঠিত। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ১০টি বগি বিশিষ্ট দুটি শাটল ট্রেন আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ টি আবাসিক হল রয়েছে যার মধ্যে ৮টি ছাত্রদের এবং ৪ টি ছাত্রীদের জন্য। এখানে উন্নত গবেষণা কেন্দ্রও রয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর। এটি বাংলাদেশের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের একমাত্র ছাত্র রাজনীতি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে ৬টি অনুষদের অধীনে ২৮ টি ডিসিপ্লিন এবং ১টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটির মূল ক্যাম্পাস বরিশাল বিভাগের কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরে কর্নকাঠী তে অবস্থিত। এ বিশ্ববিদ্যালয় ১৯১২ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৬টি অনুষদের অধীনে ২৪টি বিভাগ রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। এখানে মোট ৬টি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগ রয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি এশিয়ার বৃহত্তম কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে ভেটেনারি ও কৃষি অনুষদ নামে দুটি অনুষদ নিয়ে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস একটি অতি সুন্দর সবুজে ঘেরা মনোরম ক্যাম্পাস। দক্ষ কৃষিবিদ, প্রানীবিজ্ঞানী এবং কৃষি প্রকৌশলী তৈরি করাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রে নতুন নতুন উদ্ভাবনী বিশেষ করে খাদ্যশস্যর উদ্ভাবনী হয়। যা দেশের কৃষি বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ টি অনুষদের অধীনে ৩৫ টি বিভাগ রয়েছে। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম নারী উপাচার্য ডক্টর ফারজানা ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার সদরঘাটে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি পূর্বে জগন্নাথ কলেজ নামে পরিচিত ছিল। ২০০৫ সালে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়ে এর যাত্রা শুরু করে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট ৬টি অনুষদে ৩৬টি বিভাগ ও ২টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর। এটি প্রথমে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এখানে ২১ টি বিভাগ রয়েছে ও ডঃ ওয়াজেদ হোসেন নামে একটি রিসার্চ ইনস্টিটিউট রয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইসলামী শিক্ষার উন্নতি সাধন হলো এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে এর অনুষদ সংখ্যা ৮টি এবং বিভাগ ৩৪টি।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সৃজন, চর্চা ও বিকাশকে অধিকতর গণমুখী ও জীবন ঘনিষ্ঠ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া এবং একটি সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল জাতি গড়ে তোলাই বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর অধীনে বাংলাদেশের অনেক কলেজ রয়েছে। এর অধিভুক্ত কলেজগুলোয় শিক্ষার্থী রয়েছে ২৮ লাখেরও বেশি।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় টেক্সটাইল প্রকৌশল শিক্ষায় দেশের প্রথম ও একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে তিনটি অনুষদের অধীনে নয়টি বিষয়ের উপর বিএস সি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু আছে। এখানকার কোর্সসমূহ ৮ সেমিষ্টারে বিভক্ত ।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসঃ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস বাংলাদেশের ২৯ তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ঢাকার মিরপুরে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যা সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা পরিচালিত। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৫ টি অনুষদের অধীনে ১৭ টি বিভাগ আছে।

সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় – শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম কৃষি শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অনুষদের অধীনে রয়েছে মোট ৩১টি বিভাগ।

সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় -বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল সম্পর্কিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। কারিগরি ক্ষেত্রে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৮৭৬ সালে ঢাকা সার্ভে স্কুল নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯০৬ সালে নওয়াব সলিমুল্লাহর সময় সরকারি উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হলের কাছে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় নামে। ১৯২০ সালে এটি বর্তমান স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও কিছু পাবলিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা নিচে দেয়া হলঃ

  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি।

এছাড়াও নিচে আরো কিছু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেয়া হলোঃ

  • জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  • চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়
  • সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  • রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

সিভি লেখার নিয়ম চাকুরির ইন্টারভিউ এ ডাক পাওয়ার জন্যে

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে গবেষণামূলক কাজকর্মে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনী উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশাল ভূমিকা রাখছে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জহরলাল নেহেরু বলেছেন- “একটি দেশ ভালো হয় যদি সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়”।

আপনি চাইলে আমদের ফেসবুকে লাইক দিয়ে সাথে থাকতে পারেন। https://www.facebook.com/Bekarcombd